স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৭ এক দিনের বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণার পর থেকেই টিকিট ঘিরে আগ্রহ তুঙ্গে। আইসিসির ঘোষণা অনুযায়ী, ব্যালটে নথিভুক্তির মাধ্যমে ইতিমধ্যেই টিকিটের আবেদন শুরু হয়েছে। আর সেই আবেদনে সবচেয়ে বেশি সাড়া পড়েছে ভারত-পাকিস্তান (India vs Pakistan) ম্যাচকে ঘিরে। ১০ অক্টোবরের সেই ম্যাচের টিকিটের জন্য ইতিমধ্যেই আবেদন করেছেন ১ লক্ষ ১০ হাজার মানুষ।
বিশ্বকাপের টিকিট ব্যালটে এখনও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। ২১ নভেম্বর পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে। ফলে আগামী দিনগুলিতে আবেদনের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত গোটা বিশ্বকাপের ম্যাচগুলির জন্য প্রায় ৩ লক্ষ ২০ হাজার মানুষ ব্যালটে নাম নথিভুক্ত করেছেন।
ভারতের ম্যাচগুলির ক্ষেত্রেও টিকিটের চাহিদা উল্লেখযোগ্য। ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের জন্য আবেদন করেছেন প্রায় ৯২ হাজার মানুষ। ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ দেখতে টিকিটের আবেদন জমা পড়েছে ৮৬ হাজার। অর্থাৎ, গ্রুপ পর্বে ভারতের প্রথম তিনটি ম্যাচ ঘিরেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের চাহিদা অবশ্য সবচেয়ে বেশি। ১০ অক্টোবরের ম্যাচটি হবে জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে। মাঠটির আসনসংখ্যা প্রায় ৩৪ হাজার। ফলে টিকিটের আবেদনের তুলনায় মাঠে বসে ম্যাচ দেখার সুযোগ পাবেন অনেক কম সংখ্যক দর্শক।
গ্রুপ পর্বের পাশাপাশি সুপার ৭-এর ম্যাচগুলির টিকিটের জন্যও আবেদন করা যাচ্ছে। আইসিসি আগেই সম্ভাব্য ম্যাচের বিন্যাস নির্ধারণ করে দেওয়ায় দর্শকদের পরিকল্পনা করতেও সুবিধা হচ্ছে। ভারত ও পাকিস্তান দু’দলই সুপার ৭-এ উঠলে ৭ নভেম্বর ফের মুখোমুখি হতে পারে তারা। সেই ম্যাচের জন্যও ইতিমধ্যেই ৭৮ হাজার আবেদন জমা পড়েছে।
বিশ্বকাপের ফাইনাল নিয়েও আগ্রহ কম নয়। চূড়ান্ত ম্যাচটি মাঠে বসে দেখতে চেয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬৯ হাজার মানুষ আবেদন করেছেন।
আইসিসির তরফে জানানো হয়েছে, গোটা বিশ্বকাপের জন্য মোট ১২ লক্ষ টিকিট রাখা হচ্ছে। টিকিটের জন্য যে বিপুল আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও ম্যাচেই আসন ফাঁকা থাকবে না বলেই আশা আয়োজকদের।
আইসিসির মুখ্যকর্তা সংযোগ গুপ্তা জানিয়েছেন, ব্যালট চালু হওয়ার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ১০ লক্ষ টিকিটের জন্য আবেদন জমা পড়েছে। তাঁর মতে, এই পরিসংখ্যানই বিশ্বকাপকে ঘিরে দর্শকদের আগ্রহের মাত্রা স্পষ্ট করে দিচ্ছে।
বিশ্বকাপ শুরু হতে এখনও বেশ কিছুটা সময় বাকি। তার আগেই টিকিটের আবেদনে যে বিপুল সাড়া মিলছে, তাতে ২০২৭-এর ক্রিকেট বিশ্বকাপে মাঠে দর্শক-উন্মাদনা কতটা হতে পারে, তার ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে।










